Entertainment Entertainment Author
Title: নিজেই তৈরি করুন ম্যাট লিকুইড লিপস্টিক
Author: Entertainment
Rating 5 of 5 Des:
লিপস্টিক এমন একটি প্রোডাক্ট, যা সকলেরই অনেক বেশী পছন্দের। এমন অনেকেই আছেন, যারা লিপস্টিক ছাড়া নিজেকে কল্পনাই করতে পারেন না। বাজারে অন...




লিপস্টিক এমন একটি প্রোডাক্ট, যা সকলেরই অনেক বেশী পছন্দের। এমন অনেকেই আছেন, যারা লিপস্টিক ছাড়া নিজেকে কল্পনাই করতে পারেন না। বাজারে অনেক ধরনের লিপস্টিক পাওয়া যায়, তবে বর্তমানে সবথেকে আলোচিত হলো ম্যাট লিকুইড লিপস্টিকগুলো। এই লিপস্টিক গুলো খুবই পিগমেন্টেড, লং লাস্টিং এবং ম্যাট ধরনের হয়ে থাকে। তাই সকলের পছন্দের তালিকায়  রয়েছে এই লিপস্টিকগুলো।

বিভিন্ন ধরনের কালারের ম্যাট লিকুইড লিপস্টিক কালেক্ট করতে এবং ব্যবহার করতে অনেকেই পছন্দ করেন।  এই লিপস্টিকগুলোর দাম একটু বেশী হয়। তাই অনেক সময় বিভিন্ন পছন্দের কালার কিনতে চাইলেও তা আর কেনা হয়ে ওঠে না। তবে, আর চিন্তা নেই এই জন্যে যে এখন থেকে ঘরে বসেই খুবই অল্প খরচে নিজেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন লিকুইড ম্যাট লিপস্টিক। কীভাবে? চলুন জেনে নিই।


যা যা  হাতের কাছে থাকা চাই-

ম্যাট ফাউন্ডেশন
ম্যাট আইশ্যাডো
কোকোনাট অয়েল ৩-৪ ফোটা
এসেনশিয়াল অয়েল ১-২ফোটা (অপশনাল)
পরিষ্কার পুরোনো লিপগ্লস টিউব / ছোট কৌটা
এবার জেনে নিবো, উপকরণগুলো দিয়ে কীভাবে তৈরি করবেন ম্যাট লিকুইড লিপস্টিক-

- প্রথমে একটি কাঁচের পাত্র নিন। এর মধ্যে একটু ম্যাট ফাউন্ডেশন ঢেলে নিন।

- পছন্দমত কালারের (যে কালারের লিকুইড লিপস্টিক তৈরি করতে চাচ্ছেন) পুরোনো আইশ্যাডো নিন। খেয়াল রাখবেন, আইশ্যাডোটি যেন ম্যাট হয়।

- এবার একটি ছোট চামচের সাহায্যে আইশ্যাডোটি গুড়ো করে তুলে নিন এবং সেই বাটিতে রাখুন।

- ফাউন্ডেশনের সাথে আইশ্যাডো ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। যেন দানাদানা ভাব না থাকে।

- এরপর, এর মধ্যে ৩-৪ ড্রপ কোকোনাট অয়েল দিন। কোকোনাট অয়েল মিশ্রনটিকে ড্রাই হওয়া থেকে রোধ করবে।

- সুগন্ধ চাইলে ১ – ২ ফোটা এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন।  সব কিছু একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

- ব্যাস আপনার ম্যাট লিকুইড লিপস্টিক তৈরি। এবার এটিকে পরিষ্কার পুরোনো লিপগ্লসের টিউবে ভরে নিন। অথবা ছোট কৌটাতে সংরক্ষণ করতে পারেন।

এই তো জেনে নিলেন, কীভাবে নিজেই ম্যাট লিকুইড লিপস্টিক তৈরি করতে পারবেন। এই ম্যাট লিকুইড লিপস্টিকটিও লং লাস্টিং, পিগমেন্টেড হবে এবং ঠোটে ব্যবহার করার পর ম্যাট থাকবে।সবথেকে বড় কথা, এটি খুবই কম খরচে তৈরি করা যায় এবং এর মেয়াদ এতে তৈরি উপকরণের মেয়াদের মতোই থাকবে।  এখন থেকে নিজের পছন্দের কালার নিজেই তৈরি করে নিতে পারবেন, তাও আবার কম খরচে।






Advertisement

Post a Comment

Thanks For Comments

 
Top